এতে ক্ষুব্ধ এ পথে চলাচলকারী লোকজন। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে, দ্রুতই সেতু নির্মাণের বাকি কাজ শেষ হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে ও শুক্রবার (১৫ মার্চ) বারইপাড়া খেয়াঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, নড়াইল শহর থেকে কালিয়া উপজেলার আটটি ইউনিয়নকে নবগঙ্গা নদী পৃথক করে রেখেছে। ফলে যোগাযোগে ভোগান্তি পোহাতে হয় কালিয়াবাসীকে।
২০১৭ সালে বারইপাড়া সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। নড়াইল-কালিয়া সড়কের নবগঙ্গা নদীর ওপর ৬৫১ দশমিক ৮৩ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রস্থের বারইপাড়া সেতু নির্মাণের ব্যয় ধরা হয়েছিল ৬৫ কোটি টাকা। সেতু নির্মাণের কাজ পায় যশোরের ঠিকাদার মইনুদ্দীন বাসী ও জামিল ইকবাল। কার্যাদেশ অনুযায়ী ২০১৯ সালের জুন মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তখন নির্দিষ্ট সময় শেষে কাজের অগ্রগতি ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ। পরবর্তীতে আরও তিন বার সময় বৃদ্ধি করা হলেও কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ৪র্থ বার মেয়াদ বৃদ্ধির সময় বাঁধে নকশা জটিলতা। সেতুর ছাদের কিছু অংশ নির্মাণ কাজ শেষে দেখা যায়, সেতুর নিচ দিয়ে নৌযান চলাচল করতে পারছে না।
উপজেলার যাদবপুর গ্রামের আহাদ কাজী বলেন, ‘আমরা রোগী নিয়ে যদি খুলনা বা নড়াইল যেতে চায়, তবে বারইপাড়া খেয়াঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক সময় রাত্রে নৌকা পাওয়া যায় না। নড়াইল, কালিয়া, খুলনা, যশোর, বরিশালসহ বিভিন্ন অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন এ ঘাট দিয়ে পার হয়।’