মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump জানিয়েছেন, ইরান অন্তত দুই দশক ধরে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ থেকে সরে থাকার প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাবের ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং আগামী শনিবার একটি বৈঠক হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
এর আগে Islamabad-এ অনুষ্ঠিত বৈঠকে মূলত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মতবিরোধের কারণে সমঝোতা সম্ভব হয়নি। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষই আলোচনায় এগিয়ে আসার চেষ্টা করছে।
White House-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প বলেন, একটি সমঝোতার খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে দুই দেশ। পরে Las Vegas-এ এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান, চলমান সংঘাত দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যদি এই চুক্তি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব পড়বে—তেলের দাম কমতে পারে, মূল্যস্ফীতি হ্রাস পাবে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পারমাণবিক ঝুঁকি কমে আসবে।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর শুরু হওয়া সংঘাতে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে।
বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা উন্নতির দিকেই যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। তিনি জানান, কয়েক সপ্তাহের সামরিক চাপ ও অবরোধের পর এখন ইরান আলোচনায় আগ্রহ দেখাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যদি একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হয়, তাহলে তা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz পুনরায় স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে বড় ভূমিকা রাখবে।