উপজেলার চরকালনা গ্রামের চাষি আকতার শেখ বলেন, এবছর তিন বিঘা জমিতে মাচা পদ্ধতিতে হাইব্রিড জাতের লাউয়ের চাষ করেছি। লাউ চাষে সেচ ও শ্রমিক খরচ কম। পোকামাকড়ের আক্রমণ তেমন নেই বললেই চলে। ফলে কীটনাশক ব্যবহার না হওয়ায় মানুষ বিষমুক্ত লাউ খাচ্ছে।
তিনি আরও জানান, প্রতি সপ্তাতে পাঁচশো থেকে এক হাজার পিস লাউ ক্ষেত থেকে তুলা হয়। তবে তিনি আশা করছেন খরচ বাদ দিয়ে তিন লক্ষ টাকার লাউ বিক্রি হবে। ঢাকার পাইকারি ব্যবসায়ীরা জমি থেকে লাউ কিনে নিয়ে যাচ্ছে।
মল্লিকপুর, পারমল্লিকপুর, ঝিকড়া, চরকালনা, পূর্বচরকালনা, তেতুলিয়া, চরবগজুড়ি, কামঠানা, জয়পুর, চোরখালী আড়িয়ালাসহ বেশ কিছু মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা মাচায় লাউ চাষ করায় প্রতিটি মাচায় ডগায় ডগায় ঝুলে আছে লাউ। বাজারে একটি লাউ প্রকার ভেদে ৩০ টাকা হতে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাউ দেখতে অনেক সুন্দর মসৃণ ও সু-স্বাদু হওয়ায় চাহিদা একটু বেশী।