ইশতেহারে শিক্ষার মান উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সরকারি ওষুধ ১০০% নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা এবং গ্রাম্য রাস্তা পাকা করার পরিকল্পনা উল্লেখ করা হয়েছে।
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, স্থানীয় কৃষিশিল্প উন্নয়ন, মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির উদ্যোগ, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু মোকাবিলা, পর্যটন ও ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, ধর্মীয় স্থাপনা উন্নয়ন ও দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনের অঙ্গীকারও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত।
উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে খাস জমি ও চরাঞ্চলের ভূমি বন্দোবস্ত, মেডিকেল কলেজ ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, রেল ও নৌ যোগাযোগ চালু এবং প্রতি ইউনিয়নে সালিশি কমিটি গঠন করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
ইশতেহার ঘোষণাকালে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ নির্বাচনের পরিচালক ফারুক হোসেন নুরুন্নবী, সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল আউয়াল রাসেল, রায়পুর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা নাজমুল হুদা, রায়পুর পৌর আমির হাফেজ ফজলুল করিমসহ ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ।