• 09 Feb, 2026

মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় দ্রুত বিচার ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার দাবী

মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় দ্রুত বিচার ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার দাবী

নিজস্ব প্রতিনিধি : বাধিকার দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলম  সরকারের কাছে বিভিন্ন  দাবি জানিয়েছে।

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—রাষ্ট্রীয় বাহিনী দ্বারা সংঘটিত সকল ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ। পাশাপাশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় দ্রুত বিচার ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দাবি জানিয়েছেন।

বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ‘মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র’ গ্রহণ করে। এতে জন্মস্থান, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বিশ্বাস, আর্থিক অবস্থা কিংবা শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্বিশেষে সব মানুষের জন্য মানবাধিকারের সমতা ও সর্বজনীনতা নিশ্চিত করা হয়। ঘোষণাপত্রে প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার এবং রাষ্ট্রের দায়-দায়িত্ব স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই ঐতিহাসিক দিনটি প্রতিবছর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

তবে বাংলাদেশে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশে ‘গুম’ এবং ‘ক্রসফায়ার’-এর ঘটনা না থাকলেও মানবাধিকার লঙ্ঘন পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।’’ তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে মব ভায়োলেন্স ও মিথ্যা মামলায় সাধারণ নাগরিকদের হয়রানি এবং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে অভ্যন্তরীণ কোন্দলে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে, যা মানবাধিকারের জন্য উদ্বেগজনক।’’

এসব ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। যদি কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মাত্রা অনেকটাই কমে যেতো।’’ তার মতে, মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হলে সুষ্ঠু বিচার অপরিহার্য। সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত হলে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের কাছে কঠোর বার্তা যাবে এবং দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির বাস্তব উন্নতি ঘটবে।তিনি মানবাধিকারকে বিশ্বাসের একটি অপরিহার্য অংশ হিসেবে লালন করার আহ্বান জানান, যাতে প্রতিটি মানুষ বৈষম্যহীনভাবে মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে।

 বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে সকল আন্তর্জাতিক অংশীদারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছি।’’