শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক শোক বিবৃতিতে মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন,বলেন, ৯ জানুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির একটি পরিবারের চার সদস্য নিহত হয়েছেন এবং এক শিশু গুরুতরভাবে আহত হয়েছে। শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টার দিকে ওমানের সালালাহ নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মর্মান্তিক এই হতাহতের ঘটনায় আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি।
প্রবাসে জীবিকার তাগিদে অবস্থানরত আমাদের প্রিয় বাংলাদেশি ভাই বোনদের আকস্মিক মৃত্যু শুধু তাঁদের পরিবারের জন্য নয়, সমগ্র জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, উটের সঙ্গে গাড়ির সংঘর্ষে বিলকিস বেগম, মুহাম্মদ সাকিবুল হাসান, মুহাম্মদ দিদারুল আলম ও শফিউল আলমের পুত্রবধূর ইন্তেকালে আমরা একজন মা, সন্তান, জামাতা ও পরিবারের প্রিয়জনকে হারালাম—যা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।
আমি নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। মহান আল্লাহতায়ালা যেন তাদের সবাইকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার তাওফিক দান করেন। একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় আহত শিশুসহ অন্যান্যদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।
সংগঠনটি আরও জানায়, প্রবাসী শ্রমিকরা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তাঁদের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হচ্ছে।
বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ আশা প্রকাশ করছে, ওমান সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং নিহতদের পরিবার যেন যথাযথ সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ পায়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
পরিশেষে, বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ মহান আল্লাহর কাছে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছে এবং তাঁদের পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছে।