🔹 শহীদ স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি
দিবসটি উপলক্ষে সকাল থেকেই শহরের শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এক অনন্য পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রথমে শহীদ মো: রবিউল ইসলাম ও শহীদ মো: সালাউদ্দিন সুমনের স্মৃতিতে নির্মিত ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে’ ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন জেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক সংগঠন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। উপস্থিত ছিলেন শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আন্দোলনের সম্মুখসারির যোদ্ধারাও।
🔹 স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা
পরে শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এক স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা। সভায় বক্তব্য রাখেন:
জুলাই যুদ্ধা মো: টিপু সুলতান
প্রভাষক সামীরা খাতুন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি সাফায়েতুল্লাহ
জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো: মনিরুল ইসলাম
জেলা জামায়াতের আমির আতাউর রহমান বাচ্চু
বক্তারা সবাই ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণআন্দোলনের প্রেক্ষাপট, শহীদদের আত্মত্যাগ, এবং তৎকালীন সময়ের রাজনৈতিক-সামাজিক প্রেক্ষাপটে তাদের ভূমিকা স্মরণ করেন।
🔹 প্রশাসনের গঠনমূলক বক্তব্য
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক শারমিন জাহান আক্তার, পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল হক এবং সিভিল সার্জন ডা: আব্দুর রশীদ।
তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “জুলাই চেতনা কেবল একটি দিনের স্মরণ নয়; বরং এটি একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক জাগরণের প্রতীক। এই চেতনার বাস্তবায়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।”
🔹 সম্মাননা প্রদান
আলোচনা সভার শেষে, ২০২৪ সালের আন্দোলনের সম্মুখসারির ‘জুলাই যুদ্ধাদের’ মাঝে সম্মাননা স্মারক ও উত্তরীয় প্রদান করা হয়।
শহীদ পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
🔹 প্রেক্ষাপট: ২০২৪ সালের ৪ ও ৫ আগস্ট
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সারাদেশের মতো নড়াইলেও একটি অভূতপূর্ব গণজাগরণ পরিলক্ষিত হয়।
ছাত্র-জনতার ঢল নামে শহরের রাজপথে।
আর ৫ আগস্ট, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে শহীদ হন মো: রবিউল ইসলাম ও মো: সালাউদ্দিন সুমন।
এই দিনটি নড়াইলসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে।
📸 ছবিতে শহীদ স্মরণ ও আন্দোলনের দৃশ্যপট
(এখানে প্রকাশযোগ্য ছবি সংযুক্ত থাকবে যেমন শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দেওয়া, বক্তৃতা মুহূর্ত, শ্রোতাদের অংশগ্রহণ ইত্যাদি)